– শ্রীমতী ইমারুন নাহার
ধুন্ধু নামে এক অসুর তপস্যার বলে ব্রহ্মার কাছ থেকে বর পেয়ে দেব দানব রাক্ষস – সবারই অবধ্য হয়। ‘কেউ তাকে হত্যা করতে পারবে না’ এই বরলাভ করে সে দেবতা, দানব, ঋষি – সবার প্রতিই অত্যাচার শুরু করে।
ধুন্ধুর বাস ছিল বালুকাপূর্ণ এক সমুদ্রের তলায়।ঐ সমুদ্রের তীরে ছিল মহর্ষি উতঙ্কের আশ্রম। ধুন্ধু সেই আশ্রমে সাংঘাতিক উপদ্রব শুরু করে দেয়, ফলে মহর্ষির তপস্যার বিঘ্ন ঘটে।
ধুন্ধুর আতঙ্কের হাত থেকে হাত থেকে রেহাই পেতে শ্রী শ্রী বিষ্ণুর আদেশে অযোধ্যার রাজা কুবলেশ্বরের শরণাপন্ন হন। কুবলাশ্ব তাঁর একুশ হাজার পুত্র ও অসংখ্য সৈন্য নিয়ে ধুন্ধু বধের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। এক সপ্তাহ পর তাঁরা সেই সমুদ্রের তলদেশে পৌঁছে ধুন্ধুকে ঘুমন্ত অবস্থায় পান। ধুন্ধু ঘুম থেকে উঠেই, তার মুখ নিসৃত অগ্নির তেজে কুবলেশ্বরের পুত্রদের ও সব সৈন্যকে ভস্ম করে ফেলে। কুবলেশ্বর তখন ব্রহ্মাস্ত্র নিক্ষেপ করে ধুন্ধুকে বধ করেন ও ধুন্ধুমার নামে খ্যাত হন।

গৃহবধূ। কৃষিভিত্তিক জীবনে লেখালেখি তাঁর দিনযাপনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।
গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সহস্রাধিক প্রবাদের সযতন সংগ্রাহক।

