April 14, 2021

হ্যান্ডস অফ ক্যালকাটা

December 27, 2020

আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু – বিজ্ঞান সাহিত্যে নিমগ্ন এক ঋষি

July 3, 2020

অনুশীলন সমিতি – বাঙ্গালীর ক্ষাত্রতেজের মূর্ত প্রতীক

October 19, 2020

প্রবাদ প্রবচন

October 16, 2020

‘ইংরেজি টিংরেজি কিছু’

Recent Post

এক নজরে

‘ইংরেজি টিংরেজি কিছু’

(আগের পর্বের লিঙ্ক) গত পর্বে বলেছিলাম যে, শব্দের অর্থও দুইরকম হয়। Denotation এবং connotation. এরা দুই 'রকমের' অর্থ --- সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ব্যাপার কিন্তু নয়। এরা একসঙ্গেই থাকে এবং দ্বিতীয়টা প্রায়সই প্রথমটাকে পুরোপুরি পাল্টেও দেয়। Denotation হল গিয়ে একটা শব্দের আভিধানিক অর্থ। যেমন ধরুন Cheap শব্দটা।

সম্পাদকীয়

জীবনে একটি সময় আসে যখন বিশেষ কোন ঘটনা বা ঘটনাবলীকে, হিত বা অহিত, কেন্দ্র করে নীরবতা পালন অকর্মণ্যতার, অধর্মের নামান্তরে পর্যবসিত হয়। কর্তব্যেহস্মিন – অর্থাৎ কর্তব্য সম্পাদনই ধর্ম এই কথাটি আমরা বিস্মৃত হতে বোধকরি পছন্দও করি। নিছক ব্যক্তিগত সুবিধার্থে নিস্তব্ধতা পালন আরও বৃহৎ আকারের সর্বনাশের আগমনের পথ সুগম করে, এ সকল অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। সর্বোপরি,মহাভারতে বর্ণিত কুরু রাজকুমার যুধিষ্ঠিরের প্রাজ্ঞ উত্তর যক্ষকে, “পৃথিবীর বৃহত্তম রহস্য কি? মানুষ মরণশীল, কিন্তু ভাবে সে অমর” আমাদের মনোবৃত্তির ব্যাখ্যা করে প্রতিনিয়ত। নিজেকে অব্যয় জ্ঞান করে সমাজ, গোষ্ঠী, ধর্ম-জাতির সামগ্রিক স্বার্থকে উপেক্ষা করে পথ চলার অর্থ হয় মৃত্যু। এবং নিশ্চিতভাবেই তা আজ মৃত্যুমুখে পতিত-প্রায় বাঙ্গালীর চেয়ে অনুধাবন করা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়। গত প্রায় ৮ দশক ধরে বাঙ্গালীর পতন রয়েছে নিরবিচ্ছিন্ন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই পরাজিত এই ধর্ম-ভাষা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে স্বাতন্ত্র্য বিশিষ্ট জাতি আজ অস্তিত্ব সঙ্কটের দ্বারপ্রান্তে দন্ডায়মান। বর্তমানে, পৃথিবীব্যাপী কোভিড-১৯ সংক্রান্ত মহামারী, চীনের আগ্রাসী রণনীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামী ভারতবর্ষের চিন্তনে কোথাও বাঙ্গালীর স্থান নেই। যে জাতি আজ থেকে শতবর্ষ পূর্বে এই ভূমির রাষ্ট্রগুরুর আসনে উপবিষ্ট ছিল তা আজ ভুলুন্ঠিত। কেন এমন? এই বিষয়ে নির্মোহ বিশ্লেষণ প্রকট করে কিছু অতীব তিক্ত সত্য। অকথ্য অত্যাচারের পাশে নিজের নির্লিপ্ততা, নিবীর্যতা বাঙ্গালীকে করেছে সর্বস্বান্ত। বাকি পৃথিবীতে অবস্থা তথৈবচ বা আরও শোচনীয়। এমতাবস্থায়, পুনরুত্থানের জন্য প্রয়োজন মনন, স্থির সংকল্প ও চিন্তন, সঠিক কর্ম যার ফলশ্রুতি। “কাঞ্জিক” – বজ্রের চিহ্ন, বাঙ্গালীর স্বার্থের সাথে জড়িত অঙ্গাঙ্গীরূপে। বাঙ্গালীর পুনরুজ্জীবনই তার একমাত্র আরাধ্য, একং স্বদিপ্রা বহুধা বদন্তি–এর মন্ত্রে উদ্ভাসিত এই ভূমির সাংস্কৃতিক চর্চা অক্ষুণ্ন রাখার অভিপ্রায়ে।