১.’সমুদ্রের জল বাড়েও না কমেও না’
যা সুবিশাল,অত্যল্প পরিবর্তনে তার কিছু যায় আসে না।
২. হাতি বুড়ো হলেও দাঁত দিয়ে মাটি খোঁড়া ছাড়ে না।
সদবংশজাত, অবস্থার বিপর্যয়েও চরিত্রগুণ হারায় না
৩.সংসার আনন্দময়, যার মনে যা সয়
এই সংসার আনন্দময়। যে মানুষের মন প্রফুল্ল,সে সংসারকে আনন্দময় দেখ; যার মনে নিরানন্দ, সে সংসারকে দু:খময় দেখে।
৪. ‘চাষার চাষ দেখে,
চাষ করলে গোয়াল,
ধানের সঙ্গে খোঁজ নাই
বোঝা বোঝা পোয়াল’
অব্যাবসায়ীর দ্বারা যে কাজ,সেই কাজের সুফল পাওয়া যায় না।
৫.’বিপদে শিবের গোঁড়া
সম্পদে শিব ত নোড়া’
বিপন্নতায়, বিপদের সময় শিবের প্রতি ভক্তি উথলে ওঠে,আবার বিপদ মিটে গেলে, সেই শিবশিলাকেই নোড়া হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। ভক্তি তখন উবে যায়।
৬.’বিবাহ তৃতীয় পক্ষে /সে ত কেবল পিত্ত রক্ষে’
যখন সঠিক সময়ে খাবার কিছু মেলে না,তখন পিত্ত পড়ার থেকে বাঁচতে স্বল্প কিছু নামমাত্র মুখে দেওয়া হয়।খিদে মেটে না তাতে কিছুই।
একইভাবে, তৃতীয় পক্ষের স্ত্রীর থেকে যত্ন, ভালবাসা, সেবা – কিছুই আশা করা যায় না,উপরন্তু তার মন যোগাতে যোগাতেই প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়।
৭.’বাতাসে পাতিয়া ফাঁদ/ধরে দিতে পারি চাঁদ’
দূরূহ কাজ সম্পাদন করে দেবার মিথ্যা আশ্বাস
৮.’শিকল কাটা টিয়া পোষ মানে না’
যে শাসনের ভয় অগ্রাহ্য করেছে,তাকে বস মানানো যায় না।
৯.’হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী’
নির্বোধের পরামর্শে চলা অপর নির্বোধ
১০.’খাস তালুকের প্রজা’
অতি অনুগত ব্যক্তি

গৃহবধূ। কৃষিভিত্তিক জীবনে লেখালেখি তাঁর দিনযাপনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।
গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সহস্রাধিক প্রবাদের সযতন সংগ্রাহক।

