অতীত যা লেখেনিতর্পণে প্রণত মসী

ফৈজাবাদের নথিপত্র: এক অদৃশ্য যোগাযোগের ছায়াপথ

– শ্রী সৌরভ হালদার ও শ্রী সুপ্রিয় ঘোষ

 

ভস্মচ্ছন্নোপি বহ্নির্ন হি তেজো জহাতি কদাচন।
শান্তোপি পুরুষো বীরঃ কালে শক্তিং প্রদর্শয়েত্॥

সত্তরের দশকের রাজনৈতিক গতিধারা ভারতীয় উপমহাদেশে যেভাবে প্রবর্তিত হয়েছিল তা কেবলমাত্র নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্মই দেয়নি, সেটা রাজনৈতিক সামাজিক আর অর্থনৈতিক রূপান্তরের দশক হিসেবে চিহ্নিত হয়। অপারেশন সার্চলাইটের বীভৎসতা থেকে শুরু করে বাকস্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরা এমারজেন্সি, সবই একে একে প্রত্যক্ষ করছিল বাঙালি। এদিকে খাদ্যসংকট, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, জমি ও কৃষকের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে সে হয়ে ওঠে নকশাল। পেটের খিদে আর বাকস্বাধীনতা রোধে ক্ষিপ্ত সর্বহারা জাতির মুখে তখন দেশভাঙ্গার স্লোগান – ভাত দে, নইলে মানচিত্র ছিঁড়ে খাব – এক দিশাহীন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তারা আত্মসমর্পণ করে কমিউনিজম নামক অপশক্তির কাছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, সমাজনীতি তথা অর্থনীতির এই পটপরিবর্তন সুদূর উত্তরপ্রদেশে বসে চাক্ষুষ করছিলেন এক সন্ন্যাসী। বার্ধক্যজনিত কারণে মাঝেমধ্যে অসুস্থ হলেও ইতিহাসের খাতায় তিনি যেহেতু অলরেডি মৃত, তাঁর স্বাস্থ্য বা বাসস্থান নিয়ে চিন্তিত ছিল না কোন ঐতিহাসিক।কোন ঔপন্যাসিক ও তাঁকে নিয়ে কোন গল্প লিখতে চায়নি। নিজেরই দেশে, অজ্ঞাতবাসে, হয়ত হাসতে হাসতেই পড়েছিলেন নিজের মৃত্যু নিয়ে বসা তদন্তকমিশনের রিপোর্ট। হ্যাঁ, জি ডি খোসলার সেই One man commission of enquiry রিপোর্ট পাওয়া গেছিল ফৈজাবাদের রামভবন থেকে। পাঠক হয়ত এতক্ষণে বুঝে ফেলেছেন এখানে কার কথা বলা হচ্ছে। ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসের সেই ক্ষাত্রতেজোদীপ্ত বর্ণময় চরিত্র যিনি একসময় দাঁড়িয়েছিলেন হিটলার মুসোলিনি তোজোর মত বিশ্বনেতাদের সামনে, তিনিই কি সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশে অজ্ঞাতবাসে কাটিয়ে গেলেন তাঁর জীবন- এলগিন রোড থেকে কয়েকশ মাইল দূরে উত্তরপ্রদেশের প্রত্যন্ত এলাকায়?

ফৈজাবাদের রামভবনে ভগবানজীর ব্যবহৃত সামগ্রী থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক নথি, চিঠিপত্র, বই, সংবাদপত্রের কাটিং এবং অন্যান্য উপকরণ বহু বছর ধরেই গবেষকদের কৌতূহলের কেন্দ্র। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ব্যক্তিদের পরিচয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন আজাদ হিন্দ বাহিনীর সদস্য, বিপ্লবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং এমন কিছু মানুষ, যাঁদের অতীত সরাসরি সুভাষচন্দ্র বসুর রাজনৈতিক ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

এই অধ্যায়ে এমনই কয়েকটি নথি তুলে ধরা হবে—যা ভারতীয়, মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা নথির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে দাবি করা হয়েছে।

J________________________________________

শ্রী  পবিত্র মোহন রায় –

উদ্ধৃত নথিগুলির মধ্যে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি চিঠি, লিখেছিলেন ড. পবিত্র মোহন রায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি আজাদ হিন্দ বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পেনাং-এর Sandycroft Training School-এ প্রশিক্ষণ নেন—যে প্রতিষ্ঠানটি গোয়েন্দা ও প্রচারমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে বিভিন্ন নথিতে উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে তিনি সাবমেরিনে ভারতে পৌঁছনোর পর ব্রিটিশ CID ও Intelligence Branch তাঁকে গ্রেফতার করে।

তাঁর সম্পর্কে একটি OSS নথির উদ্ধৃত অংশে শারীরিক বর্ণনাও দেওয়া হয়েছে—বয়স, উচ্চতা, গড়ন, গায়ের রং, হাঁটার ধরন, কথাবলার গতি, এমনকি সামান্য তোতলামির কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে। এই ধরনের বর্ণনা গোয়েন্দা নথির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, কারণ ব্যক্তিকে শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে এসব ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করা হত।

OSS Intelligence ফাইলে ডঃ পবিত্র মোহন রায়ের বিবরণী

 

ফৈজাবাদে লিখিত চিঠিটি সরাসরি ভগবানজির উদ্দেশ্যে লেখা হলেও প্রাপক হিসেবে দেখা যায় ড. রঘুনাথ প্রসাদ মিশ্র—অর্থাৎ আর.পি. মিশ্রের নাম। তিনি ফৈজাবাদ জেলা সিভিল হাসপাতালের সিনিয়র সার্জন এবং ভগবানজির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ফলে অনুমান করা যায়, চিঠিটি সরাসরি ভগবানজির কাছে না পাঠিয়ে একটি মধ্যবর্তী যোগাযোগের মাধ্যমে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

এই আট পৃষ্ঠার চিঠির বিষয়বস্তু কিঞ্চিত বিস্ময়কর। ড. রায় তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনতা পার্টির অভ্যন্তরে সমাজতন্ত্রীদের অবস্থান এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি ‘মুকুল’ ও ‘সন্তোষবাবু’-র মধ্যে মতপার্থক্যের কথাও উল্লেখ করেন। বিশেষত, মুকুলবাবুর জনতা পার্টির সঙ্গে কাজ করার অবস্থান এবং পৃথক রাজনৈতিক দল গঠন করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রশ্নে তাঁর আপত্তির প্রসঙ্গ উঠে আসে। ড. রায় মুকুলবাবুর কমিউনিস্ট বিরোধী অবস্থানের প্রশংসাও করেন।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার হল যে, চিঠিতে তৎকালীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির কথাও উঠে আসে যা পাঠকের মনে অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। যদি চিঠিটির তারিখ ও প্রেক্ষাপট বিবেচিত হয়, তাহলে তা ইঙ্গিত করে যে, ভগবানজির কাছে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত ও গোপন তথ্য পৌঁছত। এবং সেই তথ্য যাঁরা পাঠাতেন, তাঁদের মধ্যে এমন ব্যক্তিরাও ছিলেন, যাঁরা অতীতে আজাদ হিন্দ ও বিপ্লবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

চিঠিটি সরাসরি ভগবানজির নামে না পাঠানোর ঘটনাটিও সেই যোগাযোগের গোপনীয়তার একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত।

 

 

 

 

 

নিরঞ্জন প্রসাদ: বইয়ের পাশে লিখিত মন্তব্য –

পরবর্তী চরিত্র মেজর জেনারেল নিরঞ্জন প্রসাদ। 

১৯৪০ সালের ১ জুন তিনি ভারতীয় বায়ুসেনার Flight Lieutenant হিসেবে নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৪৪ সালের ৩ জুলাই চিকিৎসার কারণবশত: তাঁকে বিমানবাহিনী থেকে স্থলবাহিনীতে নিযুক্ত করা হয়। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে উচ্চপদে উন্নীত হন এবং ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধ ও ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্ব অন্যত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি Squadron Leader থাকাকালীন সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল—এমন দাবি কিছু ব্রিটিশ ও মার্কিন নথি থেকে উঠে আসে।

এখানেই আসে আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য। ব্রিগেডিয়ার জে.কে. দালভির বিখ্যাত বই Himalayan Blunder-এর একটি কপি ফৈজাবাদের রামভবন থেকে উদ্ধার করা হয়। বইটির বিভিন্ন অংশের পাশে ভগবানজির হাতে লেখা মন্তব্য বা টীকা ছিল বলে দাবি করা হয়। আশ্চর্যের বিষয়, মেজর জেনারেল নিরঞ্জন প্রসাদের নাম বা তাঁর ভূমিকা যেখানে এসেছে, সেই অংশগুলির পাশেই বিশেষ মন্তব্য দেখা যায়। এটি কি নিছক একজন ইতিহাসসচেতন ব্যক্তির আগ্রহ? নাকি বইটির সেই অংশগুলি তাঁর ব্যক্তিগত কোনও স্মৃতি বা প্রত্যক্ষ যোগাযোগের ইঙ্গিত দেয়?

 

Himalayan Blunder বইতে প্রাপ্ত জেনারেল নিরঞ্জন প্রসাদ সম্পর্কিত নোট

 

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় Squadron Leader নিরঞ্জন প্রসাদ (পরে Major General) সম্পর্কিত নথি (British M.I. 2)
________________________________________

‘মাস্টারমশাই’: আশুতোষ কালী

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম—আশুতোষ কালী, যাঁকে বহু চিঠিতে ‘Master-Moshai’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পুলিশ নথি অনুযায়ী, স্বাধীনতাপূর্ববর্তী সময়ে আশুতোষ কালী বিভিন্ন বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। Chandrakona Political Robbery এবং ১৯১৫ সালে Deputy Superintendent of Police যতীন্দ্রমোহন ঘোষের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে ছিল বলে পুলিশ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। Indo-German Conspiracy-র সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগের কথা নথিতে পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আশুতোষ কালী সম্পর্কিত নথি (History Sheet)

 

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও তাঁর সঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর যোগাযোগ ছিল, এমনটাই বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

আশুতোষ কালীর মৃত্যুও স্বাভাবিক ছিল না। অনুশীলন ভবনের ওপরের বারান্দা থেকে ‘পড়ে’ দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল, কিন্তু সেই ঘটনাকে ঘিরেও প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়ে গেছে।

অতএব, ভগবানজির সঙ্গে ‘মাস্টারমশাই’-এর যোগাযোগকে নিছক সাধারণ পত্রালাপ হিসেবে দেখলে হয়ত বৃহত্তর প্রেক্ষাপটটি অধরা থেকে যায়।

ভগবানজীর উদ্দেশ্যে লেখা আশুতোষ কালী-র চিঠি

________________________________________ 

তাহলে ভগবানজি কে ছিলেন?

একজন অজ্ঞাতবাসী সন্ন্যাসী কেন সমসাময়িক রাজনীতি সম্পর্কে এত আগ্রহী ছিলেন? কেন তাঁর কাছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক তথ্য পৌঁছত? কেন প্রাক্তন INA ও আজাদ হিন্দ সরকারের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন? কেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে সরাসরি নাম ব্যবহার না করে মধ্যস্থ ব্যক্তির আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন হতো?

প্রতিটি প্রশ্নের পৃথক উত্তর হয়তো পাওয়া সম্ভব। প্রতিটি নথির আলাদা ব্যাখ্যাও থাকতে পারে। কিন্তু সবকটিকে পাশাপাশি রাখলে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে—

ভগবানজির সত্যিই কি এমন একটি গোপন নেটওয়ার্ক ছিল যাতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহকারী আর আজাদ হিন্দ বাহিনীর সদস্যরা সরাসরি যুক্ত ছিলেন?

আর যদি তা হয়ে থাকে, সেই নেটওয়ার্কের কেন্দ্রে থাকা মানুষটি আসলে কে ছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা।

‘১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট। তাইহোকুর আকাশে একটি বিমান দুর্ঘটনা—এবং তার সঙ্গে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রহস্যের জন্ম। সরকারি বিবরণ বলেছিল, সেই দুর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর। কিন্তু সাত দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সেই মৃত্যুকাহিনি নিয়ে প্রশ্নের অবসান হয়নি। বরং সময় যত গড়িয়েছে, ততই সামনে এসেছে এমন কিছু নথি যা রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে।

স্বাধীন ভারতবর্ষে তিন তিনটে কমিশন বসিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, আগুনকে ছাই দিয়ে চাপা দেবার প্রচেষ্টা হয়েছে বারবার। কিন্তু সুভাষচন্দ্র বসুকে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত প্রমাণিত করার প্রচেষ্টা প্রতিবারই বিফলে গেছে।

ছাইয়ে ঢাকা থাকলেও আগুন কখনো তার তেজ হারায় না। তেমনি শৌর্যবান পুরুষ শান্ত, নীরব থাকলেও, উপযুক্ত সময়ে তার ক্ষাত্রধর্ম ঠিকই প্রকাশ পায়। সন্ন্যাসী যে উত্তরপ্রদেশে নিরালায় অজ্ঞাতবাসে জীবন কাটিয়ে যান নি, নথিপত্রগুলো সেই কথাই বলে।

 

 

লেখক পরিচিতি

শ্রী সুপ্রিয় ঘোষ: ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্টের ছাত্র। তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। ইতিহাস অনুসন্ধিৎসু। কবিতা ও গবেষণাধর্মী গদ্য লেখালেখি করেন।

শ্রী সৌরভ হালদার: একজন গবেষক ও লেখক; পদার্থবিদ্যা ও ইংরেজি বিষয়ে (Honours) উচ্চশিক্ষিত এবং ২০১০ সাল থেকে গবেষণায় নিয়োজিত। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, শীতল যুদ্ধ, নাৎসি জার্মানি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও INA এবং আধুনিক ইতিহাস; নেতাজি ও অক্ষশক্তির সম্পর্ক নিয়ে তাঁর গবেষণাভিত্তিক গ্রন্থ রয়েছে। তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন Research Associate এবং Archaeological Survey of India (ASI)-এর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত গবেষক ও লেখক।

 

(ক্রমশঃ)