১। ‘পাথরে ঘুণ ধরে না’
অর্থাৎ, বুদ্ধিমান অপরের দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
২। ‘সৌরভে ভ্রমর মজে’
পদ্মের সুবাসে ভ্রমর মুগ্ধ হয়ে তাতে বসে। পরে,রাত্রিকালে পদ্ম মুদিত হলে ভ্রমর তার ভিতরেই আবদ্ধ হয়ে পড়ে
৩।’ছাঁচের জলে খাবি খায়,
সমুদ্র পার হতে চায়’
সামান্য কাজ করতে ভীত ব্যক্তি যখন বড় কাজে হাত বাড়ায়
৪। ‘ছাদন দড়ি,গোদা বাড়ি
যে আমার, আমি তারই’
যে যখন আদরযত্ন করে,তার অধীন হওয়া।
৫।’ছাই চাপা আগুন’
অব্যক্ত ক্রোধ,সুপ্ত প্রতিভা। ভিতরে তেজ আছে,কিন্তু বাইরে প্রকাশ নেই।
৬।’ছাগল বলে আলুনি খেলাম
গেরস্ত বলে প্রাণে মলাম’
অসন্তুষ্টকে কখনো তুষ্ট করা যায় না।
৭।’ঘর জামাইয়ের পোড়ার মুখ’
ঘর জামাইয়ের কষ্টের জীবন যাপন। তার মরা বাঁচা দুইই সমান।
৮। ‘ছুঁচোর গোলাম চামচিকে
মাইনে তার চোদ্দশিকে’
তুচ্ছ লোকের প্রতি অবজ্ঞাসূচক উক্তি
৯।’খাস তালুকের প্রজা’
একান্ত অনুগত ব্যক্তি
১০।’কপাল গুণে গোপাল ঠাকুর’
ভাগ্যের জোরে অযোগ্যের বড় হওয়া

গৃহবধূ। কৃষিভিত্তিক জীবনে লেখালেখি তাঁর দিনযাপনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।
গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা সহস্রাধিক প্রবাদের সযতন সংগ্রাহক।

